নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
-
ক
বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
-
খ
বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
-
গ
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
-
ঘ
বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বুঝায়
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল - ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।
শ্বাস - প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস।পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন,০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।
বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে।উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই।Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়।লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।
দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে, হাঁটা থেকে শুরু করে স্মার্টফোন ব্যবহার পর্যন্ত, পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র কার্যকর থাকে। ঘর্ষণ, মহাকর্ষ, আলোকবিজ্ঞান, তাপগতিবিদ্যা এবং বিদ্যুৎ—এসবই আমাদের সকালের অ্যালার্ম থেকে শুরু করে রাতের লাইট বন্ধ করা পর্যন্ত প্রতিটা কাজকে সহজ ও আধুনিক করে তোলে।
দৈনন্দিন জীবনে পদার্থবিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:
চলন ও ঘর্ষণ: মেঝেতে হাঁটা, সাইকেল চালানো বা গাড়ির ব্রেক করা—সবই ঘর্ষণ এবং গতির (Newton's Laws) ওপর নির্ভরশীল ।
গৃহস্থালি সরঞ্জাম: পানির কেটলি ফুটানো (তাপগতিবিদ্যা), খাবার গরম করার মাইক্রোওয়েভ (তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ), এবং রেফ্রিজারেটর (তাপ স্থানান্তর) পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়োগ ।
স্মার্টফোন ও যোগাযোগ: টাচস্ক্রিন, ওয়াইফাই, এবং ব্লুটুথ—এগুলো তড়িৎচৌম্বক ক্ষেত্র ও তরঙ্গ প্রযুক্তির উদাহরণ ।
আলো ও দৃষ্টি: আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখা, চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার—সবই আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণের (Optics) নিয়ম মেনে চলে ।
মহাকর্ষ: কলম হাত থেকে নিচে পড়া, বা সাইকেলের ভারসাম্য বজায় রাখা—মহাকর্ষ এবং জড়তার (Inertia) উদাহরণ।
এছাড়াও, বিদ্যুৎ উৎপাদন, টেলিভিশন, উড়োজাহাজ ও জিপিএস (GPS) প্রযুক্তি—সবকিছুর মূলেই রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক নিয়মাবলি ।
Related Question
View Allসিলিং ফ্যানের পাখা কত ডিগ্রিতে অবস্থান করে?
-
ক
৬০
-
খ
১২০
-
গ
৯০
-
ঘ
৩৬০
নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তন করে?
-
ক
RAM
-
খ
HUB
-
গ
ROUTER
-
ঘ
MODEM
জন্মদিনে কেক ফলানোর জন্য শেহতাজ একটি রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। উল্লিখিত রাসায়নিক পদার্থটি কি?
-
ক
সোডিয়াম ক্লোরাইড
-
খ
সোডিয়াম গ্লুটামেট
-
গ
সোডিয়াম কার্বনেট
-
ঘ
সোডিয়াম বাইকার্বনেট
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত গরম হয়, কারণ-
-
ক
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায়
-
খ
বায়ুমণ্ডলীয় ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায়
-
গ
বায়ুমণ্ডলে বেশি পরিমাণ ধূলিকণা থাকায়
-
ঘ
মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণ বাধা দেয়
আকাশ নীল দেখায় কেন?
-
ক
নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে
-
খ
নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
-
গ
নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
-
ঘ
নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
Red blood cell-এর Lifespan কত দিন?
-
ক
১১০ দিন
-
খ
১২০ দিন
-
গ
৮০দিন
-
ঘ
৯০ দিন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন